ছবি: তারেক রহমান / ফাইল ছবি
বিএনপির শীর্ষপর্যায়ের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূচনা হয়েছে। সাম্প্রতিক জাতীয় পরিস্থিতি, নির্বাচন ঘিরে উত্তাপ, সংগঠনের কাঠামো পুনর্গঠন ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের প্রতিক্রিয়া—সব মিলিয়ে এ সিদ্ধান্তকে বিএনপির একটি যুগান্তকারী ও কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গুলশানে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলের সিনিয়র নেতারা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই পদে তাকে বসানোর সিদ্ধান্ত নিলে সংগঠনের ভেতর দীর্ঘদিনের শূন্যতা ও নেতৃত্ব সংকটের অবসান ঘটে। এ দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে দলের ভবিষ্যৎ পথরেখা, সাংগঠনিক সজীবতা ও জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপির অবস্থান আরও দৃশ্যমান হবে বলে অনেকে মনে করছেন। দলের অভ্যন্তরে নেতাদের উপস্থিতি, বৈঠক ঘিরে উৎসুক গণমাধ্যম, উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিতের ঘোষণা, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত এবং আগাম নির্বাচনী সমীকরণ—সবকিছুই ইঙ্গিত দেয় বিএনপি আগামী দিনগুলোতে আরও সুসংগঠিত ও পরিকল্পিতভাবে এগোতে চাইছে। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসারে চেয়ারপারসনের পদ শূন্য হওয়ার মধ্য দিয়ে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ হওয়ার ফলে দলের ভেতরে স্থিতি ও নেতৃত্বের নির্দেশনার বিষয়ে অনিশ্চয়তা কমে এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্ত বিএনপির জন্য কেবল একটি প্রশাসনিক পদায়ন নয়, বরং রাজনৈতিক বার্তা—রাজপথ, নির্বাচন ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ—সব ক্ষেত্রেই দলটির আগাম ভূমিকা আরও জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
repoter

