ঢাকা,  রবিবার
১১ জানুয়ারী ২০২৬ , ০৭:০৮ মিনিট

Donik Barta

শিরোনাম:

* এলপিজি অটোগ্যাসের তীব্র সংকট ও ভোগান্তিতে অচল ফিলিং স্টেশনগুলো * ইরানে বিক্ষোভের তীব্রতায় মার্কিন হামলার ইঙ্গিত, উত্তপ্ত হচ্ছে ভূরাজনীতি * মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইসিতে ৬৪৫ আপিল, কাল থেকে শুনানি শুরু * বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণে তারেক রহমান * নির্বাচন ঘিরে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় থাকার দাবি প্রেস সচিবের * যুক্তরাষ্ট্রে ২০০ কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল রপ্তানিতে ভেনেজুয়েলার নতুন চুক্তি * এবার রাশিয়ার তেলের জন্য ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা * প্রয়োজনে খামেনিকে হত্যা—মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনায় মার্কিন সিনেটরের নতুন হুঁশিয়ারি * বাপ্পী কলকাতায় আত্মগোপনে, হাদি হত্যা মামলায় ৫৩ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ * পাতানো নির্বাচন আর হবে না: সিইসি

২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহে কেঁপে উঠেছে উত্তরাঞ্চল, তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৬.৮ ডিগ্রি

repoter

প্রকাশিত: ০১:১৫:৩৬অপরাহ্ন , ১০ জানুয়ারী ২০২৬

আপডেট: ০১:১৫:৩৬অপরাহ্ন , ১০ জানুয়ারী ২০২৬

ফাইল ছবি

ছবি: ফাইল ছবি

দেশজুড়ে শীতের তীব্রতা বাড়ায় শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার কমতে কমতে স্থায়ী রূপ নিচ্ছে; শুক্রবার দেশের ২০টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার পাশাপাশি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীত মৌসুমে শীতলতার অন্যতম চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী অন্তত দুই থেকে তিন দিন শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে, একইসাথে মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত মাঝে মাঝে বিস্তৃতি ও মাত্রা ওঠানামা করার সম্ভাবনাও রয়েছে; এর আগে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগসহ নরসিংদী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ায় শৈত্যপ্রবাহ দেখা গেছে, যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা, দৃষ্টিসীমা ও ঠান্ডা বাতাসের বেগ মিলিয়ে স্বাভাবিক জীবনে বিপর্যয় তৈরি করেছে; সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাত্র কিছু সময় সূর্যের দেখা মিললেও বিকেলের পর থেকেই ঘন কুয়াশায় দৃশ্যমানতা ১৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত নেমে আসায় পরিবহন চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর ও ছিন্নমূল জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে; আর্থিক সংকট, কাজের অভাব ও আয় কমে যাওয়ায় খোলা আকাশের নিচে থাকা মানুষদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে; ইতোমধ্যে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে হলে তা মাঝারি এবং ৮ থেকে ১০ ডিগ্রির মধ্যে হলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে গণ্য হয়—ফলে তেঁতুলিয়া, নীলফামারীসহ উত্তরাঞ্চলের প্রভাবিত এলাকাগুলোকে দেশব্যাপী চলমান শৈত্যপ্রবাহের কেন্দ্র হিসেবে ধরা হচ্ছে; শৈত্যপ্রবাহের কারণে বিভিন্ন হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত সর্দি-কাশি, নিউমোনিয়া, অ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন; মাঠে মৌসুমি সবজির উৎপাদনেও প্রভাব পড়তে পারে, যদিও কৃষি বিভাগ এখনই বড় ধরনের ক্ষতির হিসাব নিশ্চিত করেনি; আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, পরিস্থিতি সাময়িক হলেও এ বছরের শীত দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা জীবনযাত্রা, কৃষি, স্বাস্থ্য ও পরিবহন খাতকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করতে পারে—তবে শীতকালে তেঁতুলিয়া-দিনাজপুর-রংপুর অঞ্চলের এ ধরনের আবহাওয়াকে বাংলাদেশের শীতের স্বাভাবিক প্রবণতার অংশ হিসেবে দেখা হয়; সবশেষে বলা যায়, রাজধানী ও উপকূলীয় অঞ্চল তুলনামূলক উষ্ণ হলেও উত্তরের শৈত্যপ্রবাহই এখন দেশের শীতের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

repoter